লগ আউট
Are you sure you want to exist?

MTrading-এ 3টি সহজ ধাপে কীভাবে স্টক ট্রেড করবেন

আপনি যে নিবন্ধটি পড়ছেন, এটি শুধু স্টক ট্রেডিংয়ের সাধারণ তথ্য ও আলোচ্য বিষয় নিয়ে তৈরি কোনো গাইড নয়। কয়েকটি সহজ ধাপে অনলাইনে কীভাবে স্টক ট্রেড করতে হয়, তা দেখানোই আমাদের লক্ষ্য। স্টক ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীর মধ্যে পার্থক্য জানার পাশাপাশি, স্টক ট্রেডিং আসলে কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে, তাও জানতে পারবেন।

None

অনেক নতুন ট্রেডারই সাধারণত একটি প্রচলিত কার্টুনধর্মী ছবির কারণে ভুল ধারণা পান। ছবিটিতে ওয়াল স্ট্রিট নিয়ে তৈরি সিনেমার মতো, বিশাল মনিটরের সামনে অনেক স্টক ট্রেডারকে “কিনুন” বা “বিক্রি করুন” বলে চিৎকার করতে দেখা যায়। তবে স্টক ট্রেডিং সব সময় বাস্তবে এমন হয় না।

এ ছাড়া, স্টক বিক্রি বা ট্রেড করেন এমন সবাই আসলে ট্রেডার নন। শেয়ারবাজারের অংশগ্রহণকারীরা মূলত দুটি দলে বিভক্ত: ট্রেডার ও বিনিয়োগকারী। এই দুই দলের পার্থক্য জানতে পড়তে থাকুন।

শেয়ার কী?

বিস্তারিত, পরিভাষা ও সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনায় যাওয়ার আগে, স্টক কী তা পরিষ্কার করে নেওয়া যাক। বাজারে এই ইন্সট্রুমেন্ট কীভাবে কাজ করে এবং শুরু থেকেই এটি কী কী সুবিধা দিতে পারে, তা বুঝে নিন।

শেয়ার শুধু কোনো কোম্পানির ইস্যু করা কাগজের টুকরো নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রতিনিধিত্ব করে। আপনি যখন কোনো শেয়ার কেনেন, তখন সেই কোম্পানিরও একটি অংশ কিনে নেন। অন্যভাবে বললে, আপনি ওই শেয়ারটির পাশাপাশি কোম্পানিরও একটি অংশের মালিক হন। এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা সাধারণত শেয়ারকে “ইকুইটি”র সঙ্গে যুক্ত করেন—কারণ শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির একটি ক্ষুদ্র অংশের মালিক হন।

শেয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর দাম। বিনিয়োগকারী ও ট্রেডার—উভয়ের কাছেই এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কোম্পানির ব্যবসা যত ভালো করে, তার শেয়ারের দামও তত বাড়ে।

উদাহরণ হিসেবে, Apple-এর নতুন একটি স্মার্টফোন বাজারে এসেছে, যা বেস্টসেলার হতে চলেছে। কোম্পানির শেয়ারের দামের সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বাড়ছে। এর ফলে যাঁদের কাছে Apple-এর শেয়ার রয়েছে, তাঁদের আয়ও বাড়ছে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

এখানে আমরা বিনিয়োগকারী ও শেয়ার ট্রেডারদের মধ্যে পার্থক্য দেখতে পারি।

শেয়ার ট্রেডার বনাম বিনিয়োগকারী

উপরের উদাহরণ অনুযায়ী, শেয়ারহোল্ডাররা দুইভাবে পদক্ষেপ নিতে পারেন:

  1. মাসিক বা বার্ষিক বেশি কমিশন পেতে শেয়ার ধরে রাখা।
  2. শেয়ার কেনার দাম ও বিক্রির দামের পার্থক্য থেকে লাভ পেতে শেয়ার বিক্রি করা।

আপনি প্রথম উপায়টি বেছে নিলে নিজেকে বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। দ্বিতীয়টি আপনার জন্য উপযুক্ত হলে আপনি একজন শেয়ার ট্রেডার।

তবে, কোম্পানির ব্যবসা খারাপ হলে বা আর্থিক সংকট দেখা দিলে শেয়ারের দাম কমতে পারে। এ ছাড়া ভূরাজনৈতিক, সামাজিক ও অন্যান্য পরিস্থিতিও দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আরও জানুন পতনশীল বাজারে কীভাবে ট্রেড করবেন।

ভবিষ্যতে শেয়ার ট্রেডার হতে চাইলে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে।

শেয়ার ট্রেডিংয়ের সুবিধা:

  • ট্রেডার ও বিনিয়োগকারী—উভয়ের জন্যই সম্ভাব্য উচ্চ মুনাফা।
  • যে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়তে পারে, সেটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়।

শেয়ার ট্রেডিংয়ের অসুবিধা:

  • শেয়ার নিজে থেকে বৈচিত্র্যপূর্ণ নয়। কোনো কোম্পানির দরপতন হলে তার অ্যাসেটের দামও কমে যাবে, ফলে বড় আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।

এখন যেহেতু আপনি কিছু প্রাথমিক বিষয় জানেন, চলুন আরও বিস্তারিতভাবে জেনে নিই বাস্তবে কীভাবে শেয়ার ট্রেড করতে হয়।

শেয়ার ট্রেডিং বলতে কী বোঝায়?

শেয়ার ট্রেডিং হলো শেয়ার কেনা ও বিক্রির প্রক্রিয়া। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দৈনিক দামের ওঠানামা থেকে লাভ করা। এটি মূলত স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং কৌশলের সঙ্গে সম্পর্কিত। বড় ও প্রতিষ্ঠিত কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনে দীর্ঘ সময়—বছরের পর বছর, এমনকি কয়েক দশক—ধরে রাখার বদলে, ডে ট্রেডাররা পরবর্তী কয়েক মিনিট, ঘণ্টা বা দিনের মধ্যে কিছু অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেন।

দুইভাবে শেয়ার ট্রেড করা যায়:

  • তথাকথিত “ফ্লোর ট্রেডিং” হলো ওয়াল স্ট্রিটের মতো সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে ট্রেড করা। এখানে একজন ব্রোকার আপনার নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট শেয়ার কেনা বা বিক্রি করেন। চুক্তি হলে, ব্রোকার একজন কর্মীকে ট্রেডারের সঙ্গে দাম নিয়ে দর-কষাকষি করতে পাঠান। দাম ঠিক হওয়ার পর আপনি শেয়ার পান।
  • ফ্লোর ট্রেডিংয়ের তুলনায় অনলাইন ট্রেডিং আরও সহজ ও নমনীয় বিকল্প। এখানেও আপনাকে একজন ব্রোকার খুঁজতে হবে। তবে এর মূল সুবিধা হলো, বাড়ি বা অফিস থেকে না বেরিয়েই একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সব ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।

এ কথা বলাই বাহুল্য, অনলাইন ট্রেডিংই সেরা বিকল্প—বিশেষ করে যারা আর্থিক বাজার ও শেয়ার ট্রেডিংয়ে নতুন। আপনি যেকোনো জায়গা থেকে, আপনার সুবিধামতো সময়ে ট্রেড করতে পারেন। আপনাকে শুধু শেয়ার ট্রেড করার পদ্ধতিটি বেছে নিতে হবে।

শেয়ার ট্রেডিংয়ের ধরন

None

আপনি যেভাবে শেয়ার ট্রেড করবেন, তা শেষ পর্যন্ত আপনার সামগ্রিক ট্রেডিং কৌশল নির্ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে আপনার সামনে প্রধানত দুটি বিকল্প রয়েছে:

  • ডে ট্রেডিং – কৌশলটি বেশ সহজ। এটি অনেকটা “গরম আলু” খেলার মতো। একই শেয়ারে আপনাকে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক মিনিটের মধ্যেই একাধিক পজিশন খুলতে ও বন্ধ করতে হবে।
  • অ্যাকটিভ ট্রেডিং – এই কৌশলে মাসে প্রায় 10টি শেয়ার বিক্রি করা হয়। এই পদ্ধতি সাধারণত বাজারের সময় নির্ধারণের ওপর নির্ভর করে। নিকট ভবিষ্যতে দামের ওঠানামা বোঝার জন্য আপনাকে স্বল্পমেয়াদি ঘটনাগুলো বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এবং ট্রেডিং ইন্ডিকেটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখন, আপনি শুরু করার জন্য প্রস্তুত।

শেয়ার ট্রেড করার 3টি সহজ ধাপ

শুরু করার আগে, আপনার ট্রেডিংয়ের লক্ষ্যগুলো ঠিক করে নিন। এগুলো আপনাকে মনোযোগ ধরে রাখতে এবং বেছে নেওয়া ট্রেডিংয়ের ধরন অনুসরণ করতে সাহায্য করবে। শেয়ার বাজারে প্রবেশ করতে আপনার প্রয়োজন হবে:

ধাপ 1 – একটি ব্রোকার বেছে নিন

নতুনদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন ধাপ। অনলাইনে এত ধরনের অফার থাকায় বিশ্বস্ত ব্রোকার বেছে নেওয়া কঠিন মনে হতে পারে। আপনার জন্য উপযুক্ত ব্রোকার বেছে নিতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:

  • ভালো ট্রেডিং শর্ত।
  • উন্নত ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম।
  • গ্যারান্টি ও নিরাপত্তা।
  • বোনাস ও বিশেষ অফার।
  • বিভিন্ন ধরনের ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট।

MTrading-এর সঙ্গে, কৌশল বা পদ্ধতি যাই হোক না কেন, আপনি নিরাপদ ও লাভজনক ট্রেডিংয়ের অভিজ্ঞতা পাবেন। আমরা দারুণ ট্রেডিং শর্তের পাশাপাশি অত্যাধুনিক, দ্রুত সাড়া দেয় এমন প্ল্যাটফর্ম এবং শেয়ার ও CFD-সহ ট্রেড করার জন্য 20টিরও বেশি ইন্সট্রুমেন্ট দিই।

ধাপ 2 – একটি ডেমো অ্যাকাউন্ট খুলুন

চিন্তা করবেন না। এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ক্রেডিট কার্ড বা বিলিংয়ের কোনো তথ্য লাগবে না। ব্রোকারের দেওয়া সব টুল ব্যবহার করে বাস্তব বাজারের পরিস্থিতিতে ট্রেডিং কৌশল পরীক্ষা করার এটি আপনার সুযোগ। ডেমো অ্যাকাউন্টে কোনো আর্থিক ঝুঁকি ছাড়াই নিজের দক্ষতা যাচাই করতে এবং শেয়ার বাজার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

ধাপ 3 – ট্রেডিং শুরু করুন

এখন, আপনি একটি লাইভ অ্যাকাউন্ট খুলে বাস্তব মুনাফা করার জন্য প্রস্তুত। শুরু থেকেই ব্যালেন্সে অতিরিক্ত অর্থ পেতে বিশেষ অফার এবং ডিপোজিট বোনাস মিস করবেন না।

শুভকামনা!

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।