লগ আউট
Are you sure you want to exist?

নতুনদের জন্য মার্কেট সেগমেন্টেশন

মার্কেট সেগমেন্টেশন হলো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট বাজার এবং ভোক্তাদের দল ও উপদলকে বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু পদক্ষেপ। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো সম্ভাবনাময়, লাভজনক এবং সম্প্রসারণযোগ্য মার্কেট সেগমেন্ট চিহ্নিত করা।

None

মার্কেটারদের জন্য, ভোগের প্রবণতা অনুযায়ী যাদের চাহিদা ও প্রয়োজন একই রকম, সেই লক্ষ্যভিত্তিক দর্শকদের বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করাই সেগমেন্টেশন। বিনিয়োগকারীদের জন্য, সেগমেন্টেশন আরও বিস্তৃত বাজার-গবেষণার সুযোগ দেয়, যার মাধ্যমে বিনিয়োগের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে অনুকূল নিশ ও কোম্পানি চিহ্নিত করা যায়।

ব্যবসার দৃষ্টিকোণ থেকে মার্কেট সেগমেন্টেশনের ব্যবহার

আপনি বিনিয়োগকারী হোন বা ব্যবসার মালিক, উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মার্কেট সেগমেন্টেশন। এটি বিভিন্ন মার্কেট সেগমেন্টের মধ্যে সবচেয়ে অনুকূল খাতটি চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।

  • ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য, বয়স, ব্যয়ের সামর্থ্য, লিঙ্গ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠির ভিত্তিতে লক্ষ্যভিত্তিক দর্শকদের শ্রেণিবদ্ধ করতে এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করে। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কাজে লাগিয়ে তারা ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিজ্ঞাপন প্রচার, প্রমোশন এবং বিশেষ অফার চালু করতে পারে, যা সর্বাধিক সংখ্যক ব্যবহারকারী আকৃষ্ট করতে সহায়তা করে।
  • বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন বাজারের নির্দিষ্ট খাত আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং নির্দিষ্ট কোম্পানির ইস্যু করা সম্ভাবনাময় শক্তিশালী শেয়ার চিহ্নিত করতে বাজারকে ভাগ করেন। এছাড়া, বাজারের বিভিন্ন অংশ নিয়ে বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিও গড়ে তোলা যায়, যা বেশি মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা বাড়ায়।
ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

আপনি যে পক্ষেরই হোন না কেন, বাজারকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করতে হলে বাজারের গভীর বিশ্লেষণ এবং আর্থিক ও অর্থনৈতিক কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার।

বাজার বিভাজনের ধরন

সঠিকভাবে বাজারকে ভাগ করলে প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে এবং প্রচার বা বিজ্ঞাপন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে পারে। বাজারকে ভালোভাবে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা কোনো কোম্পানিকে বড় প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দেয় এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা তৈরি করে। এ ক্ষেত্রে ব্যবসার মালিকদের বাজার বিভাজনের কয়েকটি মৌলিক ধরন সম্পর্কে জানা দরকার:

  1. জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য – বাজারকে ভাগ করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। এতে লিঙ্গ, শিক্ষা, সামাজিক পটভূমি, বয়স, পেশা, জাতীয়তা ইত্যাদি সাধারণ জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভোক্তা বা বাজারকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
  2. ভৌগোলিক অবস্থান – ভৌগোলিক বিভাজন জনতাত্ত্বিক বিভাজনের একটি উপধরন। বসবাসের স্থান অনুযায়ী বিভিন্ন গোষ্ঠীকে শ্রেণিবদ্ধ করতে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার জলবায়ু, আগ্রহ ও চাহিদা বিবেচনা করে তাদের সম্ভাব্য আগ্রহ বুঝতে এটি ব্যবহার করা হয়।
  3. আচরণগত – ভোগের আচরণের ভিত্তিতে মানুষকে ভাগ করার প্রক্রিয়া। কোনো নির্দিষ্ট পণ্য কিনবেন কি না, সে বিষয়ে তারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নেন, তা বোঝাই এর উদ্দেশ্য। এই ধরনের বিভাজনে জীবনযাপনের ধরন ও কেনাকাটার অভ্যাস বিশ্লেষণ করা হয়।
  4. কোম্পানি-সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য – প্রথম তিন ধরনের সেগমেন্টেশন যেখানে ভোক্তাদের ওপর কেন্দ্রীভূত, সেখানে ফার্মোগ্রাফিক সেগমেন্টেশন কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের আকার, কর্মীসংখ্যা, রাজস্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্লেষণ করতে এটি সাহায্য করে।

বিভিন্ন মার্কেট সেগমেন্ট শনাক্ত করার সহজ ধাপ

বিভিন্ন মার্কেট সেগমেন্ট শনাক্ত করতে হলে সেগুলোকে তিনটি মৌলিক মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। প্রথমত, সেগমেন্টগুলোতে সমজাতীয় উপগোষ্ঠী থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, উপগোষ্ঠীর প্রতিটি সদস্য বা সেগমেন্টের প্রতিটি উপাদানের বৈশিষ্ট্য একই হতে হবে। সবশেষে, কোনো নির্দিষ্ট সেগমেন্টের সদস্যদের বাস্তবায়িত মার্কেট কৌশল ও পদ্ধতিতে একই ধরনের সাড়া দেওয়ার কথা।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।