Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

ফেড চেয়ার জেরোম পাওয়েল আশাব্যঞ্জক মার্কিন NFP তথ্যকে স্বাগত জানাতে দ্বিধা করায় প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সতর্ক আশাবাদ দেখা গেলেও, বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের SOTU ভাষণ মাঝারি ইতিবাচক মনোভাবকে আরও জোরালো করতে পারে।
এছাড়া, বুধবার বাজারের গতি মন্থর থাকলেও চীনের প্রবৃদ্ধি ভালো হওয়ার আশায় ঝুঁকি নিতে আগ্রহী ট্রেডাররা বাড়তি সমর্থন পেয়েছেন। তা সত্ত্বেও, চীন থেকে আসা উদ্বেগ এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারকদের সামগ্রিক কঠোর অবস্থান বাজারের মনোভাবকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
লক্ষণীয়, টানা তিন দিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড কমেছে, আর এর সঙ্গে মার্কিন ডলারের দরও নেমেছে। বাজারের সতর্ক আশাবাদের সঙ্গে এই পরিস্থিতি সোনার ক্রেতাদের সহায়তা করছে, তবে ব্রেন্ট তেলের দাম সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ স্তর থেকে কমেছে।
AUDUSD-তে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তবে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিপকিন্সের আশাবাদী মন্তব্যেও NZDUSD ঊর্ধ্বমুখী হয়নি। এদিকে, বন্ডের ইল্ড কমলেও USDJPY ধীরে ধীরে বাড়তে বাড়তে 131.00 ছাড়িয়েছে। তবে, একঘেয়ে ট্রেডিং সেশনে USDCHF-কে এগিয়ে নেওয়ার মতো উদ্যোগ কম।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও এশিয়ার প্রধান কর্তৃপক্ষের কঠোর নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কায় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আগের দিনের পুনরুদ্ধারের গতি ধরে রাখতে পারছে না।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা:



ফেড চেয়ার পাওয়েলের ভাষণ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের SOTU থাকা সত্ত্বেও বাজারে তেমন গতি ছিল না, কারণ কোনো ঘটনাই স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়নি। নিষ্ক্রিয় বাজার পরিস্থিতিকে আরও জোরালো করেছে চীন নিয়ে মিশ্র উদ্বেগ—চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধের আশঙ্কার বিপরীতে রয়েছে প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, সুদের হার বাড়ানোর পথে বিরতির ইঙ্গিত দেওয়া সত্ত্বেও ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর টিফ ম্যাকলেম লুনি ট্রেডারদের আশ্বস্ত করতে পারেননি। কানাডার প্রধান রপ্তানি পণ্য ক্রুড অয়েলের দাম কমলেও কানাডিয়ান ডলারের বিনিময় হার কমেনি।
অন্যদিকে, সতর্ক আশাবাদ ও বন্ডের ফলন কমে আসায় সোনার দাম টানা তৃতীয় দিনের মতো বেড়েছে। তবে দুই দিন ধরে মাসিক সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পরও ব্রেন্ট তেলের দাম দুর্বল রয়েছে।
বৃহত্তর পরিসরে, ওয়াল স্ট্রিটে সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে বন্ধ হলেও মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং শেয়ারবাজারের ফিউচারসের সামান্য দরপতন ট্রেডারদের দ্বিধায় ফেলেছে। এর সঙ্গে উন্নত দেশ ও এশিয়ার প্রধান বাজারগুলোতে ক্রিপ্টো নিয়ে কঠোর নিয়ম আসার আশঙ্কা যুক্ত হয়ে সম্প্রতি BTCUSD ও ETHUSD-এর বুলিশ ট্রেডারদের পরীক্ষা নিচ্ছে।
বড় কোনো ডেটা বা ইভেন্ট না থাকায়, চীনের পরিস্থিতি ঘিরে ঝুঁকির অনুঘটক এবং মন্দার আশঙ্কার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বিতীয় সারির কর্মকর্তাদের মন্তব্য সামনে বাজারের অংশগ্রহণকারীদের মনোযোগ পেতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো সাম্প্রতিক লোকসান পুষিয়ে নিতে পারে, এমনকি আরও বাড়তেও পারে। তবে মার্কিন ডলারের আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে হচ্ছে।
ট্রেডিংয়ে সৌভাগ্য আপনার সঙ্গী হোক!