
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে এ সপ্তাহে সোনার দামে সাম্প্রতিক উত্থান দেখা গেছে। এতে ওয়াল স্ট্রিটের বিশেষজ্ঞরা সম্পদটি নিয়ে সতর্ক হলেও আশাবাদী হয়েছেন। একই সময়ে, খুচরা বিনিয়োগকারীরা এখনও ঊর্ধ্বমুখী।
সাম্প্রতিক উত্থান সত্ত্বেও, বন্ড ইল্ড বেশি থাকায় সোনার দাম এখনও চাপে রয়েছে। এর ফলে সম্পদটির ওপর অপ্রত্যাশিত চাপ তৈরি হচ্ছে। তা সত্ত্বেও, আগের সপ্তাহান্তের দিকে মূল্যবান ধাতুটির দাম আবারও বেড়েছিল এবং স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে 2000 ডলারের ওপরে উঠেছিল।
সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির কারণে কিছু ট্রেডার লং পজিশন নিয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই মনে করেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তবে, দাম বাড়া সত্ত্বেও বাজারের অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী বুলিশ রয়েছেন। স্বর্ণে বড় ধরনের মুভ আসন্ন—এ বিষয়ে সব বিশেষজ্ঞ একমত। সমস্যা হলো, কোন দিকে মুভটি হবে তা কেউ জানেন না।



সবাই এই বুধবার FED-এর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াবে না। বরং, হার 5.25% থেকে 5.50%-এর মধ্যে রাখার সম্ভাবনাই বেশি। এতে ডিসেম্বরে পরবর্তীবার হার বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। মূল্যস্ফীতি কমছে না, তবে বর্তমান হার বজায় রাখার মতো যথেষ্ট তথ্য রয়েছে।
Treasury yields বেশ উচ্চ পর্যায়ে থাকায়, বাজারে বুলিশ মনোভাব থাকলেও তা Gold-এর দাম বাড়তে বাধা দেবে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাড়লে বুলদের আরেক দফা উত্থান দেখা দিতে পারে।
সহজ করে বললে, দুই দিকেই বড় ধরনের মুভ দেখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অবশ্য একেক রকম। সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেকের বেশি উত্তরদাতা (54%) আগামী সপ্তাহে সোনার দাম বাড়বে বলে আশা করছেন। 30%-এর কম উত্তরদাতা মূল্যবান ধাতুটির দাম কমার প্রত্যাশা করছেন, আর 18% নিরপেক্ষ রয়েছেন।
সব বাজার অংশগ্রহণকারী এই বুধবারের প্রধান অর্থনৈতিক ঘটনার অপেক্ষায় রয়েছেন। FED সুদের হার নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে। এ ছাড়া, এই শুক্রবার ননফার্ম পেরোলস প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের জন্যও এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ হতে যাচ্ছে। জাপান ব্যাংক ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডসহ অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতির সিদ্ধান্তের দিকেও ট্রেডাররা নজর রাখবেন।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!