Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা দেওয়ার পর বাজারের মনোভাব এখনও অনিশ্চিত। এর ফলে মার্কিন ডলারের ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তবে, মার্কিন ঋণখেলাপির আশঙ্কা, ফেডের কঠোর অবস্থান এবং ব্যাংকিং খাতের সংকটের কারণে সোনার দাম এখনও চাপে রয়েছে এবং টানা তৃতীয় দিনের মতো কমছে।
শুক্রবারের ঋণসীমা নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকেরা। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক আমানতের আরও পতন বাজারের মনোভাবের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল অর্থনৈতিক তথ্য ঝুঁকি পরিমাপকগুলোর আরও পতন ঠেকিয়েছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং Fed-সহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য সুদের হার বেশি রাখতে পারে—এমন আলোচনাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
এর ফলে, NZDUSD এবং তেলের দাম বিয়ারিশ ট্রেডারদের নজরে রয়েছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া-চীন বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা এবং চীনের মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যানে উন্নতির আশার মধ্যেও USDCAD ও AUDUSD স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাচ্ছে না।
এদিকে, কঠোর ক্রিপ্টো নিয়মের পক্ষে সমর্থন আদায়ে যুক্তরাষ্ট্রের SEC ব্যর্থ হলেও ETHUSD ও BTCUSD মার্চের পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



শুক্রবারের শুরুতে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা কমলেও, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহের আগে সতর্ক মনোভাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণখেলাপি হওয়ার আশঙ্কা এবং ব্যাংকিং খাতের ব্যর্থতা নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ—যা আশাবাদীদের আশঙ্কা দূর করতে পারছে না। এর ফলে অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রা, কমোডিটি ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট, এমনকি শেয়ারবাজারেও চাপ পড়ছে। এদিকে আগের দিন উল্লেখযোগ্য উত্থানের পর মার্কিন ডলারের বুলরা কিছুটা বিরতি নিচ্ছে।
RBNZ-এর হতাশাজনক মূল্যস্ফীতি-প্রত্যাশা NZDUSD-এর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে Gf10 কারেন্সি পেয়ারগুলোর মধ্যে এটির দৈনিক পতন হয়েছে সবচেয়ে বেশি। একইভাবে, অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত থেকে বেশি পরিমাণ তেল ছাড়ার খবর Brent ও WTI অপরিশোধিত তেলের দামে চাপ সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, মার্কিন ডলারের আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়া থেমে যাওয়া এবং চীনে মূল্যস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনা—কোনোটিই সোনার দামে সহায়তা করতে পারেনি। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের দুর্বল GDP-র বিপরীতে দেশটির কার্যকলাপ-সংক্রান্ত মিশ্র ডেটা GBPUSD-এর বিয়ারদের কিছুটা স্বস্তি নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
মন্দার আশঙ্কার মধ্যে ট্রেডিং পজিশন বাড়ার পাশাপাশি, টুইটারের CEO পদ থেকে ইলন মাস্কের সরে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে খবরের চাপে রয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো।
শুক্রবারের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা আস্থা এবং মূল্যস্ফীতির আরও কিছু তথ্য থাকতে পারে। তবে বাজারের দিকনির্দেশনা বুঝতে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণখেলাপি হওয়ার আশঙ্কা ও ব্যাংকিং খাত নিয়ে আসা খবরের দিকে নজর রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি এসব খবর ঝুঁকি-বিমুখ মনোভাবকে উসকে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের বক্তব্যও ক্যালেন্ডারে রয়েছে। তাঁরা দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক দুর্বলতা প্রকাশ করলে বাজারে নড়াচড়া হতে পারে। সর্বোপরি, বাজারে হতাশাবাদ আবার ফিরে এসেছে, যা মার্কিন ডলারকে নতুন করে শক্তি জোগাতে পারে। এর ফলে ডলারের দরপতনে আগে লাভবান হওয়া গোল্ড, ক্রুড অয়েল ও AUDUSD-এর মতো সম্পদের দাম চাপে পড়তে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!