
ETF অনুমোদন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন, Bitcoin-এর দাম ছয় অঙ্কে পৌঁছাবে। শেষ মুহূর্তের কিছু কাজ সেরে নেওয়ার পর, অনুমোদন পেলেই ETF তালিকাভুক্ত করতে এক্সচেঞ্জগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, SEC ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। এ বিষয়ে ARK 21Shares এবং BTC নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত আরও কয়েকটি প্ল্যাটফর্মকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ গুঞ্জন অনুযায়ী, অদূর ভবিষ্যতেই ETF অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে এক্সচেঞ্জগুলোর জল্পনা করার সময় এসেছে।
অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও ব্রাজিলের পাশাপাশি কানাডা ইতিমধ্যে ছয়টি spot BTC ETF অনুমোদন করেছে, যেগুলোর সম্মিলিত সম্পদের মূল্য $2.7 বিলিয়নেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলিও শিগগির একই পথে হাঁটতে পারে বলে মনে হচ্ছে।



বিশেষজ্ঞদের মতে, ETF অনুমোদন সামগ্রিক ক্রিপ্টো বাজারে এবং বিশেষ করে বিটকয়েনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাজারের অংশগ্রহণকারীরা নিশ্চিত হবেন যে প্রধান এই কয়েনটি হারিয়ে যাচ্ছে না। ডিজিটাল অ্যাসেট ইকোসিস্টেমে এটি প্রভাবশালী শক্তি হিসেবেই থাকবে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস অবশ্যই বাড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অনুমোদন ক্রিপ্টো শিল্পকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে দেবে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে, দৈনন্দিন পেমেন্টের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সঞ্চয়, বিনিয়োগ ইত্যাদির জন্য Bitcoin ভোক্তাদের কাছে বহুল ব্যবহৃত একটি অ্যাসেট হয়ে উঠতে পারে। তবে, ভোক্তাদের BTC এবং সামগ্রিক ক্রিপ্টো শিল্পের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি বিবেচনা করা উচিত।
বিটকয়েন শুরুতে অনলাইন লেনদেনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তবে অন্যান্য অল্টকয়েন মূলত বাজারে স্পেকুলেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বিকল্প কয়েনগুলো ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা কম। এ ছাড়া, দৈনন্দিন ইলেকট্রনিক পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম হিসেবেও এগুলো খুব একটা কার্যকর হবে না।
অন্যদিকে, ওয়েব ও মোবাইল—উভয় মাধ্যমেই পেমেন্ট প্রক্রিয়াকরণের ফলে BTC ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। এর ব্যাপক ব্যবহার সম্পদটির দাম বাড়াবে। একসময় এর দাম ছয় অঙ্কে পৌঁছাতে পারে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!