
FOMC-এর বৈঠকের কার্যবিবরণী হোক বা চীন থেকে আসা খবর—ECB নীতিনির্ধারকদের মন্তব্যসহ, সবকিছুই বৃহস্পতিবার ভোরে অর্থনৈতিক মন্থরতার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতাও RBNZ গভর্নর এবং অস্ট্রেলিয়ার কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের সূত্রে জোর পায়।
পরিস্থিতি কঠিন হওয়ায়, বুধবারের শেষ দিকে সাময়িকভাবে কমার পর মার্কিন ডলার আগের দিনের ঊর্ধ্বমুখী গতি ধরে রাখে। ডলারের শক্তি সোনার ক্রেতাদের চাপে ফেলে এবং তেলের দামের পুনরুদ্ধারও সীমিত করে।
চীনের নেতিবাচক মনোভাবের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নেতিবাচক কারণগুলো যোগ হওয়ায়, অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রাগুলোর ওপর চাপ পড়ে এবং দরপতনে NZDUSD নেতৃত্ব দেয়। তবে তেলের সামান্য দরবৃদ্ধি USDCAD-এর ঊর্ধ্বমুখী গতি সীমিত করেছে বলে মনে হয়।
অন্যদিকে, চার দিনের দরপতনের পর বিয়ারিশ দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে যুক্তি খুঁজে পেতে ট্রেডাররা হিমশিম খাওয়ায়, BTCUSD ও ETHUSD এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আরেকটি চেষ্টা করছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



কয়েক দিন ধরে আশাবাদ ধরে রাখার চেষ্টা চলার পর, বিশ্ববাজারে হতাশা দেখা দিয়েছে। অর্থনৈতিক উদ্বেগের কারণে সুদের হার আরও বাড়ানোর সুযোগ সীমিত—ফেডের নীতিনির্ধারকেরা এমনটাই বুঝতে পেরেছেন বলে মনে হয়েছে।
ফেডের সভার কার্যবিবরণীর পাশাপাশি, চীনে কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা নতুন করে বেড়ে যাওয়া এবং দেশটিকে মন্দার দিকে যাওয়া থেকে পিবিওসি রক্ষা করতে পারবে কি না—এ নিয়ে সন্দেহ বাজারের মনোভাবের ওপর আরও নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি করেছে। এরপর, ইসিবির নীতিনির্ধারকেরাও স্বীকার করেছেন যে এই অঞ্চলের জন্য সামনে কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ায় কর্মসংস্থানের পরিবর্তন প্রত্যাশার চেয়ে কমে যাওয়া এবং আরবিএনজেডের গভর্নর অ্যাড্রিয়ান অরের মিশ্র বক্তব্য—ফেডের সভার কার্যবিবরণী থেকে তৈরি হওয়া সন্দেহের পর—মার্কিন ডলারের শক্তি ফিরিয়ে আনার জন্য যথেষ্ট বলে মনে হয়েছে।
তবে, মন্দার উদ্বেগ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে ট্রেডাররা আরও ইঙ্গিত খোঁজার সময় দিনের শুরুতে সোনা, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছিল। মজুতের পরিমাণ এবং উৎপাদন সংকট আরও কিছুদিন চলতে পারে—এমন আশঙ্কা তেলের দামকে সমর্থন জুগিয়েছিল।
জোরালো বাই: USDJPY
⏬ 🔴 জোরালো বিক্রির সংকেত: ETHUSD
⬆️ 🟢 Buy: USD Index, USDCAD, Nasdaq
⬇️ 🔴 সেল: DAX, FTSE 100, স্বর্ণ, BTCUSD
বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ঘটনার ঘোষণা ইতিমধ্যে হয়ে যাওয়ায়, নতুন দিকনির্দেশনার জন্য ট্রেডাররা বন্ডের দামের ওঠানামা, মন্দার খবর এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের টানাপোড়েনের মতো গুণগত ইঙ্গিত খুঁজতে পারেন। তা সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সারির কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের তথ্যও সূচিতে থাকবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা মার্কিন ডলারকে এগিয়ে রাখতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মুদ্রার পাশাপাশি পণ্যের দামেও চাপ ফেলতে পারে।
ট্রেন্ডের সুবিধা নিন এশিয়া-প্যাসিফিকের সেরা ব্রোকার-এর সঙ্গে। আমরা চমৎকার ট্রেডিং শর্ত, উন্নত মানের Copy Trade পরিষেবা এবং বহু পুরস্কারজয়ী IB রেফারেল প্রোগ্রাম দিই।
MTrading-এর সঙ্গে নিরাপদে ট্রেড করুন এবং উপভোগ করুন সবচেয়ে অনুকূল ট্রেডিং শর্ত!
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!