
বুধবারের শেষভাগে বিশ্ববাজারে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা কিছুটা থেমে যায়। বড় কোনো তথ্য বা ঘটনা না থাকায় বৃহস্পতিবারের শুরুর দিকেও এই বিরতি অব্যাহত থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক দুর্বল তথ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন ও বেইজিং-মস্কোর মধ্যে বাণিজ্যিক শর্তের উন্নতির ইঙ্গিত দেওয়া খবরগুলো সতর্ক আশাবাদ আরও বাড়ায়।
বাজারের মনোভাব উন্নত হওয়ায় 20 বছরের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে মার্কিন ডলারের দর কমে আসে। এর ফলে Gold ও অপরিশোধিত তেলের দামও সাম্প্রতিক ক্ষতির কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারে।
এদিকে, GBPUSD দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক নাটক উপেক্ষা করে USD-এর দুর্বলতা থেকে লাভবান হয়েছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ইতিবাচক বাণিজ্য পরিসংখ্যান এবং আরও প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়ে চীনের প্রস্তুতি G10 মুদ্রা জুটির মধ্যে NZDUSD ও AUDUSD-কে পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করেছে।
তবে মন্দার আশঙ্কা ইয়িল্ডের ওপর নিম্নমুখী চাপ তৈরি করছে, আর ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোর দরও চাপে রয়েছে।
প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ দর ওঠানামা নিচে দেওয়া হলো:



আজ প্রকাশিত হওয়ার কথা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ADP Employment Change প্রতিবেদনটি বাতিল হওয়ায়, অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে ট্রেডারদের জানার মতো তেমন কিছু নেই। তাই তারা শর্ট পজিশন বন্ধ করার প্রবণতা বজায় রেখেছেন। চীনে গাড়ির ব্যবহার পরিবর্তন, 500 বিলিয়ন ইউয়ানের অবকাঠামো পরিকল্পনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রস্তুতিও সতর্ক আশাবাদ বাড়িয়েছে।
এ ছাড়া, বুধবারের যুক্তরাষ্ট্রের ISM Services PMI প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হওয়া এবং JOLTS Job Openings-এর হতাশাজনক পরিসংখ্যানও ডলারকে কয়েক বছরের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে কিছুটা নামার সুযোগ দিয়েছে।
তবে, সাংহাইয়ে কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া এবং IMF-এর নেতিবাচক মন্তব্যে বুলিশ ট্রেডাররা পিছিয়ে থাকেন, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড কমেছে।
উল্লেখ্য, মে মাসে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য পরিসংখ্যান বেড়ে যাওয়ায় AUDUSD শক্তিশালী হয়েছে। চীন-সম্পর্কিত খবরও NZDUSD-তে বুলিশ ট্রেডারদের পক্ষে গেছে।
যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভা থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য পদত্যাগ করলেও GBPUSD স্থিতিশীল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আশাবাদী রয়েছেন এবং তাঁর ব্রেক্সিট-সংক্রান্ত অবস্থানের প্রতি সমর্থন পাচ্ছেন।
সোনার দাম বছরের সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, গত দুই দিনে বড় পতনের পর তেলের দামও কিছুটা সামলে উঠছে।
এদিকে, ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে আগামী ছয় মাসে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে সামনে আরও দরপতনের আশঙ্কায় ট্রেডাররা BTCUSD ও ETHUSD কিনতে আগ্রহী হননি।
জোরালো ক্রয়: USDCAD
⏬ 🔴 জোরালো বিক্রি: Nasdaq, রুপা, ETHUSD
⬆️ 🟢 বাই: USD Index, USDJPY
⬇️ 🔴 সেল: DAX, FTSE 100, স্বর্ণ, BTCUSD
আগস্টের শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ADP ডেটা তালিকায় না থাকায়, দৈনিক ট্রেডের দিক নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকারত্ব ভাতার দাবির পরিসংখ্যান এবং মাসিক বাণিজ্য পরিসংখ্যানের দিকে নজর রাখা জরুরি। তবে, শুক্রবারের যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের দিকে বিশেষ নজর থাকবে, কারণ FOMC-এর কার্যবিবরণী ফেডের সুদের হার আরও 0.75% বাড়ানোর জল্পনা উসকে দিয়েছে।
এ ছাড়া, যুক্তরাজ্যের রাজনীতি, ECB-এর বৈঠকের কার্যবিবরণী, চীনকে ঘিরে নানা খবর এবং অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা—এসব বিষয় নিকট ভবিষ্যতে বাজারের গতিপথ অনুমান করতে বাড়তি তথ্য দিতে পারে।
ট্রেন্ডের সুবিধা নিন এশিয়া-প্যাসিফিকের সেরা ব্রোকার-এর সঙ্গে। আমরা চমৎকার ট্রেডিং শর্ত, উন্নত মানের Copy Trade পরিষেবা এবং বহু পুরস্কারজয়ী IB রেফারেল প্রোগ্রাম দিই।
MTrading-এর সঙ্গে নিরাপদে ট্রেড করুন এবং উপভোগ করুন সবচেয়ে অনুকূল ট্রেডিং শর্ত!
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!