Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

যুক্তরাজ্য সরকার পুরো আর্থিক খাতে বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছে। বর্তমান আর্থিক নিয়মকানুনে পরিবর্তন আনবে—এমন একগুচ্ছ ব্যাপক সংস্কারের কথা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে।
তাদের ধারণা, এসব পদক্ষেপ যুক্তরাজ্যের আর্থিক পরিষেবা খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে, বিরোধী দল বলছে, নতুন সংস্কারগুলো নিয়মকানুন শিথিল করার তলানিতে নামার প্রতিযোগিতা শুরু করবে।
নতুন প্যাকেজে 30টি সংস্কার রয়েছে। এর কয়েকটি ব্যাংককে কিছু ছাড় দেবে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোকে তাদের খুচরা ব্যাংকিং কার্যক্রম বিনিয়োগ বিভাগ থেকে আলাদা রাখতে হয়। 2008 সালের আর্থিক সংকটের সময়ও একবার এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এবার মূলত খুচরা ব্যাংকিংয়ে মনোযোগী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না।
এ ছাড়া, আর্থিক খাতের নির্বাহীদের জবাবদিহি-সংক্রান্ত বর্তমান নিয়মগুলো সরকার পর্যালোচনা করবে। এর অর্থ, নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিরা ভুল সিদ্ধান্ত, কর্মক্ষেত্রের অনুপযুক্ত সংস্কৃতি এবং নিম্নমানের আচরণের জন্য শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। সিনিয়র ম্যানেজার রেজিম নামেও পরিচিত এই ব্যবস্থা 2016 সালে চালু হয়েছিল।
এডিনবার্গ সংস্কার প্যাকেজের অংশ হিসেবে শর্ট সেলিংয়ের নিয়মও পর্যালোচনা করা হবে। কোম্পানিগুলো কীভাবে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়, সরকার তা খতিয়ে দেখবে। বীমা কোম্পানির ব্যালান্স শিট, ট্রাস্টসহ আরও কিছু ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম প্রয়োগ করা হবে।



সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন এই প্যাকেজ যুক্তরাজ্যকে বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক আর্থিক পরিষেবা খাতগুলোর একটি হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
বিরোধী লেবার পার্টির প্রতিনিধিরা বলছেন, এই নতুন সংস্কারগুলো আসলে তলানিতে নামার প্রতিযোগিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের মতে, এতে আর্থিক স্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়বে, কারণ দলের পেছনের সারির এমপিদের নিয়ন্ত্রণে রাখা আরও কঠিন হবে।
EU ছাড়ার পর দেশের আর্থিক খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও অনেকে বিতর্ক করছেন। ইউরোপীয় জোট ছাড়ার পর লন্ডন ডেরিভেটিভস ও শেয়ার বাজারে কয়েক বিলিয়ন হারিয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তাছাড়া, অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন, ব্রেক্সিট অন্য সব খাতের তুলনায় মূলত আর্থিক পরিষেবা খাতেরই বেশি ক্ষতি করবে।
এমন পরিস্থিতিতে আপনার পোর্টফোলিও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো এবং যথাযথভাবে বৈচিত্র্যময় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগকারীদের একটি মাত্র সম্পদের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। অনেক উদীয়মান বাজার থাকায়, ট্রেডাররা বিভিন্ন সম্পদে বিনিয়োগ ছড়িয়ে দিয়ে তাদের মূলধন ধসে পড়ার ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।