লগ আউট
Are you sure you want to exist?

স্টক ডিভিডেন্ড: অর্থ, সুবিধা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি

স্টক ডিভিডেন্ড বলতে কোম্পানিগুলোর শেয়ারহোল্ডারদের নির্দিষ্ট ধরনের সম্পদ বা আয় দেওয়ার একটি পদ্ধতিকে বোঝায়। অন্য কথায়, স্টক ডিভিডেন্ড হলো এমন এক ধরনের পেমেন্ট, যা নগদ অর্থের বদলে শেয়ার আকারে দেওয়া হয়।

None

আজ আমরা স্টক ডিভিডেন্ডের অসুবিধা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি, এবং বাজার মূলধনের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে জানব।

স্টক ডিভিডেন্ড কী?

নগদে ডিভিডেন্ড দেওয়ার বিকল্প হিসেবে স্টক ডিভিডেন্ড ইস্যু করা হয়। ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের হাতে শেয়ারহোল্ডারদের পেমেন্ট দেওয়ার মতো নগদ অর্থ না থাকলে এটি করা হয়। স্টক ডিভিডেন্ডের ধরন ও পেমেন্টের তারিখ সাধারণত পরিচালনা পর্ষদ নির্ধারণ করে।

স্টক ডিভিডেন্ড কীভাবে বাজার মূলধনকে প্রভাবিত করে

কিছু নতুন বিনিয়োগকারী ভুল করে মনে করেন, নগদ ও স্টক—দুই ধরনের ডিভিডেন্ডই বাজার মূলধন বাড়ায় এবং শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদ বৃদ্ধি করে। বাস্তবে, শেয়ারের সংখ্যা বাড়লেও শেয়ারের দাম সেই অনুযায়ী কমে যাওয়ায় শেয়ারহোল্ডাররা আরও ধনী হন না। অন্য কথায়, বাজার মূলধন একই থাকে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

স্টক ডিভিডেন্ডের সুবিধা ও অসুবিধা

স্টক ডিভিডেন্ড পেলেই যে শেয়ারহোল্ডারের সম্পদ বাড়বে, তা নয়। তবে এর কিছু স্পষ্ট সুবিধা আছে, যদিও কিছু সামান্য অসুবিধাও রয়েছে।

সুবিধা:

  • নগদ অর্থের পরিমাণ অক্ষুণ্ণ থাকে। স্টক ডিভিডেন্ডের মাধ্যমে কোম্পানি তার বর্তমান নগদ অর্থের পরিমাণ বজায় রেখেও শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড দিতে পারে।
  • করমুক্ত বিকল্প। কোনো কোম্পানি স্টক ডিভিডেন্ড ইস্যু করলে, এর ওপর কর দিতে হয় না, কারণ এটিকে আয় হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। অন্যদিকে, নগদ ডিভিডেন্ডের ওপর কর দিতে হয়।

অসুবিধা:

  • ভুল সংকেত। কোনো কোম্পানি স্টক ডিভিডেন্ড ইস্যু করলে, বাজার তাৎক্ষণিকভাবে ধরে নিতে পারে যে কোম্পানিটির নগদ অর্থের ঘাটতি বা আর্থিক সমস্যা রয়েছে। তবে এই ধরনের ডিভিডেন্ড ইস্যু করার কারণ সব সময় প্রকাশ করা হয় না, আর সংকটই যে এর কারণ, তা নয়।
  • ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ প্রকল্প। কখনো কখনো কোম্পানিগুলোর নগদ অর্থ ফুরিয়ে যায় এবং তারা স্টক ডিভিডেন্ড ইস্যু করে, কারণ তারা কোনো আয়ের নিশ্চয়তা নেই এমন ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্পে তহবিল বিনিয়োগ করে। এতে বিনিয়োগকারীদের মনে সন্দেহ জাগে যে ব্যবসাটি যথাযথ ও দক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না। ফলে বাজারে কোম্পানিটি অনিবার্যভাবে চাপের মুখে পড়ে।

সব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও, স্টক ডিভিডেন্ডের কিছু নির্দিষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। একদিকে, এর ওপর কর দিতে হয় না। অন্যদিকে, নগদ অর্থের তুলনায় এটি খুব কমই ভালো বিকল্প হতে পারে, কারণ এতে শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদ বা বাজার মূলধন বাড়ে না।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।